কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের সহজ উপায়
আপলোড সময় :
০৯-০৩-২০২৬ ০৩:০৮:৩১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৯-০৩-২০২৬ ০৩:০৮:৩১ অপরাহ্ন
কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের সহজ উপায়
নিজস্ব প্রতিবেদক
কিডনিতে পাথর হওয়া শরীরের অন্যতম যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা। প্রস্রাবের খনিজ ও লবণ জমে শক্ত হয়ে স্ফটিকের মতো তৈরি হলে তাকেই কিডনিতে পাথর বলা হয়। এই ঝুঁকি কমাতে আমাদের জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি।
কেন হয়?
পানিশূন্যতা: শরীর হাইড্রেটেড না থাকলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায় এবং খনিজগুলো জমাট বেঁধে পাথর তৈরি করে।
মানসিক চাপ: অতিরিক্ত চাপে থাকলে শরীরে কর্টিসল হরমোন বাড়ে, যা প্রস্রাবে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া চাপের সময় আমরা পানি কম পান করি বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাই, যা ঝুঁকি বাড়ায়।
ভুল খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত লবণ, লাল মাংস, চিনি ও অক্সালেটযুক্ত (যেমন পালং শাক, চকোলেট) খাবার বেশি খাওয়া।
বংশগত বা রোগজনিত কারণ: অনেক সময় জেনেটিক বা প্রস্রাবের সংক্রমণের কারণেও পাথর হতে পারে।
প্রতিরোধের উপায়
প্রচুর পানি পান করুন: প্রস্রাব পাতলা রাখতে সারাদিনে পর্যাপ্ত জল খান। শসা বা তরমুজের মতো জলীয় ফল খাদ্যতালিকায় রাখুন।
মানসিক চাপ কমান: নিয়মিত যোগব্যায়াম, ধ্যান বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন।
সুষম খাবার: অতিরিক্ত লবণ ও মাংস কমিয়ে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার (দুগ্ধজাত দ্রব্য) খান।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাঁটাচলা বা শরীরচর্চা করুন।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
পেটে, পিঠে বা কুঁচকিতে তীব্র ব্যথা হলে।
প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত দেখা দিলে।
প্রস্রাব করতে খুব কষ্ট হলে বা বারবার প্রস্রাবের বেগ আসলে।
ব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব থাকলে।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। একবার পাথর হলে তা বারবার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই সঠিক জীবনযাত্রা মেনে চলা জরুরি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : NewsUpload
কমেন্ট বক্স